কুরআন হাদীসের আলোকে ওলি আউলিয়া

Ekta chotto Qs chilo, ai “Oli” namta Allahr gunbachok nam sadharonoto jegulo amra jani 99 asmaul husna” sekhane ki ullekh ache..???

http://www.theonlyquran.com/99names.php?nameid=55

১. আল্লাহ ছাড়া কি কাউকে মওলা বলা যাবে না?
২. আল্লাহ ছাড়া কি কাউকে অলি বলা যাবে না?🙂

What Does Wali Mean?

The word wali has a range of different meanings. Hans Wehr lists its various definitions:

Helper, supporter, benefactor, sponsor; friend, close associate; relative; patron, protector; legal guardian, curator, tutor; a man close to God, holy man, saint (in the popular religion of Islam); master, proprietor, possessor, owner.
[ Hans Wehr, A Dictionary of Modern Written Arabic, ed. J. Milton Cowan (Ithaca, New York: Spoken Languages Services; 3rd edition, 1976 CE), p. 1100]

১.
Wali as custodian of a woman in marriage

বিয়ের সময় মেয়েদের অলি।
/ওলি (Wali) লাগে। এখানে ওলি শব্দের অর্থ অভিভাবক। বিয়েতে কি মানুষ ওলি থাকেন, নাকি আল্লাহ ওলি থাকেন?🙂

Walī (Arabic: ولي, plural ʾawliyāʾ أولياء), is an Arabic word meaning “custodian”, “protector”, “helper”, etc.[1] “Wali” is someone who has “Walayah” (authority or guardianship) over somebody else.

According to Islamic law (shari’a) a woman needs a wali, that is a custodian, to get married, as the marriage contract is signed by her wali and the bridegroom. Normally the father or the paternal grandfather of the bride is her wali. In this case the father or paternal grandfather is wali mujbir, if it is her first marriage. In this case, the bride’s silence is considered consent.
[ Sahih Muslim, The Book of Marriage (Kitab Al-Nikah), Book 008, Number 3303.]

https://en.m.wikipedia.org/wiki/Wali

২.
রাসূল মাওলা, আলী মাওলা

“Man Kuntum Moula Fa Haaza Ali-un Moula” meaning “who considers me to be his Moula should consider Hazrat Ali his Moula as well”

দেখুন…

Al-Tirmidhi Hadith 6094 Narrated by Al-Bara’ ibn Azib and Zayd ibn Arqam

When Allah’s Messenger (saws) alighted at the pool of Khumm, he took Hadrat Ali ibn Abi Taalib (r.a.) by the hand and asked those present, “Do you not know that I am closer to the believers than they themselves?” They replied, “Certainly.” He (saws) then asked, “Do you not know that I am nearer to every believer than he himself?” They replied, “Certainly.” He (saws) then said, ” Allah, he whose maula I am has Ali as his maula. O Allah, be friendly to those who are friendly to him and hostile to those who are hostile to him.” After that Hadrat Umar (r.a.) met him and said, “Congratulations, O son of AbuTalib. Morning and evening you are the maula of every believing man and woman.”

Al-Tirmidhi Hadith 6082 Narrated by Zayd ibn Arqam

The Prophet (saws) said, “When I am anyone’s maula, Ali is his maula also.”

শিয়ারা এই হাদীস নিয়ে কি বলে, সেটা ভিন্ন। কিন্তু মূল বিষয়টা হলো, মাওলা বলতে এখানে কেবল আল্লাহকেই বোঝানো হয় না, তা প্রমাণ করার চেষ্টা করা হলো। আরো হাদীস আছে। এগুলো নিয়ে আগে লিখেছি। ব্লগে লিখিনি, তাই খুঁজে পাওয়া মুশকিল।

হ্যা, আল্লাহ মাওলা…
সূরা বাকারার শেষ আয়াত
“আন্তা মাওলা না, ফানসুর না আলাল কাওমিল কাফিরিন”
এখানে মাওলা অবশ্যই আল্লাহ। কিন্তু তার মানে এটা নয় যে, কেবল আল্লাহর জন্য কেবল মাওলা শব্দটি প্রয়োগ করা উচিত হবে, এবং অন্যদের ক্ষেত্রে নয়।

আপনার সাথে আমি এ ব্যপারে একমত যে, আল্লাহ এবং তার বান্দার মধ্যে অবশ্য পার্থক্য আছে। এটা কে অস্বীকার করে?

৩.
ওলি আল্লাহ বা আউলিয়া আল্লাহ (Friends of Allah)

কুরআনে নাই?

Allah TA’ALA have revealed in the Holy Quran:-
None one can be its guardian except Al-Muttagun (The pious, Saints) But most of them know not [8:34]

Sahih International

“But why should Allah not punish them while they obstruct [people] from al-Masjid al- Haram and they were not [fit to be] its guardians? Its [true] guardians are not but the righteous, but most of them do not know.”
[ Surah Al-Anfal, 8/34]

আমার কথা হলো, এখানে আরবীতে কোন শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে? দেখুন।

দেখুন, সূরা ফাতিহার মধ্যে আমরা দু’আ করি- “ইহ্ দিনাস সিরাতাল মুস্তাকিম, সিরাতাল্লাযিনা আন আমতা আলাইহিম”. প্রশ্ন হলো- who are they?

আমার কথা হলো, অলি বা আউলিয়া বলতে আমরা যে সৎপথপ্রাপ্ত নেককার বান্দাদের বুঝাচ্ছি তা কুর’আন হাদীস দ্বারা সমর্থিত।

সূরা আনফালের ৩৪ নম্বর আয়াত তার প্রমাণ।

দ্বিতীয়ত, হযরত খিযির আ. এর ঘটনাটা খুব গুরুত্ববহন করে। তিনি নবী ছিলেন না। কিন্তু তিনি রাসূল মূসা আ. থেকেও জ্ঞানী ছিলেন। এটা কুরআন হাদীস উভয় জায়গায় আছে।

হাদীসে আছে, যারা আল্লাহর অলি (আল্লাহর বন্ধু)-দের সাথে যুদ্ধ ঘোষনা করে, আল্লাহ তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেন।

আমি রেফারেন্স দিয়ে ভাসিয়ে দিতে পারি। কিন্তু আমি খুব ব্যস্ত। ভালো থাকবেন। যাযাকাল্লাহ

সূফিবাদ বা আরবীতে তাসাওউফ এসেছে “ইহসান” থেকে। এগুলো এই কয়েকদিন আগেও বলেছি আমার এক স্ট্যাটাসে।

রাসূল বলেছেন, তোমরা এমনভাবে নামাজ পড়ো যেন তোমরা আল্লাহকে দেখছো। যদি না দেখে থাকো তবে অন্তত এটা ভাবো যে আল্লাহ তোমাকে দেখছেন।

এসকল হাদীসে নামাজের খুশু খুজু বা নামাজের ভেতরকার একাগ্রতা, ধ্যানের ইঙ্গিত করা হয়েছে, সূফি সাধকগণ এটা নিয়েই ডিল করে। আল্লাহ হাফিজ।

সুফী শব্দের অর্থ কি এবং এর উৎপত্তি (Root) কি? সেটা নিয়ে আরেকদিন কথা বলা যাবে।।

প্রাণি উৎসর্গের কারণ কি

১. মানুষ যদি কুরবানি দিয়ে বেহেশতে যায় তবে যে কুরবানি হল সে যাবে না কেন?
২. মানুষ যেমন আল্লাহর সৃষ্টি পশুও তেমনি তবে কেন পশুকেই কুরবানি হতে হবে?এক মায়ের যদি দুই সন্তান হয় সে কি পারবে অন্য জনকে!
৩. আল্লাহর খুশি হওয়ার জন্য পশুর দরকার টা কি? তিনি তো অমিখাপেক্ষি। তিনি চাইলেই পশুকে হত্যা না করার বিধান রাখতে পারতেন!

জবাবঃ

আলী (রা:) হতে বর্ণিত তিনি বলেন: “হে ফাতেমা! তুমি তোমার কুরবানীর পশুর নিকট জবেহ করার সময় উপস্থিত থাকিও। জেনে রেখ, ঐ পশুর রক্তের প্রথম ফোটা (মাটিতে) পড়ার সাথে সাথে তোমার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। জেনে রেখ! কিয়ামত দিবসে কুরবানীর ঐ পশুগুলিকে রক্ত, মাংস সহ সত্তরগুণ বৃদ্ধি করে নিয়ে আসা হবে এবং তোমার দাঁড়িপাল্লায় তা রাখা হবে।” (বাইহাকী (৯/২৮৩) আবদুবনু হুমাইদ (৭/৮)

আবু হুরাইরা (রা:) নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, “তোমরা তোমাদের কুরবানীর পশুগুলো শক্তিশালী ও মোটা-তাজা দেখে নির্বাচন কর। কারণ এগুলো তোমাদের পুলসিরাতের উপর চড়ে যাওয়ার বাহন হবে।” (দাইলামী-মুসনাদুল ফিরদাউস ১/৮৫)

এটা পড়লে মনে হয় তারাও জান্নাতে যেতে পারে।

আর দ্বিতীয় জবাব হলো।
পশুদের বিধান আর মানুষের বিধান ভিন্ন। আমরা গাছপালা থেকেও উপকার পাই, তাই বলে তাদের জান্নাতে যাওয়া উচিত কিনা?

তৃতীয়ত, কুরবানী বহু প্রকার। ধরুন, সময়ের কুরবানী, সম্পদের কুরবানী, ইচ্ছের কুরবানী এগুলোও কিন্তু জান্নাতে যাবে না।

চতুর্থত, মানুষের জন্য সবকিছু সৃষ্টি করা হয়েছে। আল্লাহর রাস্তায় কুরবান হওয়ার জন্যই এসকল পশুর সৃষ্টি। এর দ্বারা কোনো পাপ কিংবা পুণ্যের অধিকারী তারা হবে না।

পঞ্চমত, তাদের উপর শরীয়ত নাই। যাদের উপর এই জগতে শরীয়ত নাই, স্বাভাবিক যুক্তিতে তাদের জন্য জান্নাত জাহান্নাম নাই।

ষষ্ঠত, পশুরা হাশরের ময়দানে মাটি হয়ে মিশে যাবে। কেননা, তাদের এরপর আর প্রয়োজন হবে না।

১. এক পিতার একমাত্র সন্তানই কিন্তু কুরবানী করার চেষ্টা হয়েছিল। সুতরাং নিজের সন্তানের উপর থেকে দায় তুলে পশুকে কুরবানী করার নিয়ম দিয়ে আল্লাহ আমাদের জন্য অপেক্ষাকৃত সহজ করে দিয়েছেন।

২. মানুষ যেমন আল্লাহর সৃষ্টি, পশু পাখি যেমন আল্লাহর সৃষ্টি, তেমনি উদ্ভিদও আল্লাহর সৃষ্টি। এক সৃষ্টি আরেক সৃষ্টির উপর নির্ভরশীল।

পরিবেশে খাদ্য শৃঙ্খল কিভাবে তৈরি হয়? উদ্ভিদের তৈরি করা খাদ্য, ছোট ছোট প্রাণী খাবার হিসাবে খায়, আবার ছোট প্রাণীকে খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করে বড় প্রাণী , এভাবে পরিবেশের খাদ্য শৃঙ্খল তৈরি হয়।

যে মাছ অন্য মাছ বা পোনা ধরে খায়, যেমনঃ বোয়াল, শোল, চিতল, আইড়, মাগুর ও শিং মাছ অন্য মাছ খায়, তাদের রাক্ষুসে মাছ বলে। যেমন- দক্ষিণ আমেরিকার স্বাদুপানির ভয়ঙ্কর রাক্ষুসে মাছের নাম পিরানহা।

উদ্ভিদ ও প্রাণী বিভিন্নভাবে একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। সবুজ উদ্ভিদ সূর্যের আলো ব্যবহার করে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে। আবার প্রাণী তার খাদ্যের জন্য উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল।

খাদ্য শৃঙ্খল
১. খাদ্য শৃঙ্খল হল খাদ্য এবং খাদকের ধারাবাহিক একটি সম্পর্ক।
২. খাদ্য শৃঙ্খলে একাধিক খাদক থাকে।
৩. একটি পরিবেশে অনেকগুলো খাদ্য শৃঙ্খল থাকতে পারে।

খাদ্যজাল
১. খাদ্যজাল হল অনেকগুলো খাদ্য শৃঙ্খলের পারস্পরিক সম্পর্ক।
২. খাদ্যজালে একাধিক খাদ্য শৃঙ্খল থাকে।
৩. একটি পরিবেশে একটি খাদ্যজাল থাকে।

১. আল্লাহ অমুখাপেক্ষি।
কুরবানীর রক্ত মাংস তিনি চান না। তিনি চান, তিনি যে বিধান দিয়েছেন, তা মানুষ যুক্ততর্ক ব্যতিরেকে মেনে নিক। এটাই ইবাদাত। আল্লাহ মানুষকে তাকওয়া অর্জন করার সুযোগ দেন। মুত্তাকী পরহেজগারি হওয়ার সুযোগ এটা।

পশুকে খাদ্য, বাহন বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করার জন্যই সৃষ্টি করেছেন। আমরা অপচয় করি না। আমরা কুরবানী দিয়ে তা খাই। কুরবানীর পশুর মাংস দরিদ্রদের বিলিয়ে দেই। পাড়া প্রতিবেশী আত্মীয়স্বজনদের দেই। এভাবে দরিদ্রদের প্রতি মমত্ববোধ সৃষ্টি হয়। আত্মীয়তার বন্ধন সুদৃঢ় হয়। সামাজিক বন্ধনও জোরদার হয়। এভাবে একটি ইবাদাত বহুমুখি ইবাদাতের সুযোগ সৃষ্টি করে।

আল্লাহ ত্যাগের বিভিন্ন বিধান রেখেছেন। যেমন-
১. অর্থ ত্যাগ বা কুরবানী বা উৎসর্গ। কিভাবে? যাকাত, ফিতরা, দান, সাদকা।
২. সময় ত্যাগ। কিভাবে? তাবলীগে সময় দেয়া, তালিমে সময় দেয়া, ভালো নেক কাজে সময় দেয়া, নামাজ পড়ার সময় দেয়া।
প্রভৃতি।

এভাবে কুরবানীর পশু কিনতে টাকা লাগে। যারা লালন পালন করেন, তারা সেটা বিক্রি করে আর্থিক লাভবান হতে পারতেন, সেটা না করে আল্লাহর বিধান মানতে কুরবানী বা উৎসর্গ করছেন।

পশু কুরবানীর মাধ্যমে যে ধরনের সওয়াব হয়, তা অন্যভাবে হয় না। উপরের হাদীসগুলো প্রমাণ।

কুরবানি কি হিংস্রতা আর অমানবিক

দেবী দূর্গা কালী এসবের হাতে বিকৃত অস্র থাকে মানুষের রক্তাত মাথা কাটা হাতে থাকে। সয়ং মানুষের উপর পারা দেওয়া মূর্তি তৈরী করে এবং তাদের মূর্তিতে হিংস্র তা ষ্পষ্ট থাকে। জিসুর রক্তাক্ত শরীর পদর্শন করা হয় তখন তো নাস্তিক দের চুলকানি হয় না বা কোন ষ্ট্যটাস দেয় না বরবর হিংস্র ধর্ম বলে।

কুরবানী নিয়ে প্রশ্ন।
১. প্রকাশ্যে কুরবানী দেওয়া অমানবিক এবং হিংস্রতার বহিঃপ্রকাশ
২. উৎসব করে প্রাণি হত্যা এক অর্থে মানব হত্যারই ইন্ধন দেয়

প্রশ্ন1% যারা এটাকে অমানবিক বলে তারাতো আর না খেয়ে থাকে না।সুতরাং খেয়ে জীবন ধারন করতে গেলে প্রাণী হত্যা করতেই হবে।

আমাদের খাদ্য শৃংখলটাই এমন। বেচে থাকতে হলে কোন না কোন প্রাণী হত্যা করতেই হবে।

১. খেয়ে জীবন ধারণ করতে গেলে কিভাবে প্রাণি হত্যা করতে হয়? যারা ভেজিটেরিয়ান, তারা তো প্রাণি হত্যা করে না।

২. মানুষের খাদ্য শৃঙ্খলা কিন্তু অন্য প্রাণির মতো নয়। তারা ইচ্ছা করলেই ভেজিটেরিয়ান হতে পারে।

গাছও এক প্রকার প্রাণী।

হ্যা, ঠিক আছে। প্রাণি না। উদ্ভিদ।

ভেজিটেরিয়ান হতে সমস্যা কি?

যার প্রাণ আছে সেইতো প্রাণী তাই গাছকে প্রাণী বলতেই পারি আর যে এই প্রাণীটা খেতে পারে তার আন্য প্রাণী খেলে কি সমস্যা?

প্রশ্ন2 প্রাণী হত্যা যদি মানব হত্যার ইন্ধন দিত তবে ঈদের পরের দিন দ্বীগুন মানুষ হত্যা হত। তাতো হয় নি।

ইউরোপের অনেক দেশেইতো প্রাকাশ্যে কোরবানী হয়না তাই বলে কি ঐসব দেশে মানব হত্যা হয়না?

ইন্ডিয়াতে প্রকাশ্যে কুরবানি নিষিদ্ধ হওয়া সত্যেও তারা কতোটা অমানবিক বলার অপেক্ষা রাখে না।

আমরা প্রকাশ্যে কুরবানি করি কিন্তু তারপরও আমাদের উদারতার কথা সারা পৃথিবী জানে।

সুতরাং এখন এটাই মনে হচ্ছে যে প্রকাশ্যে কুরবানি মানুষকে উদার করে তুলে।

প্রকাশ্যে জবাই করা অমানবিক নয় কেন? সবার সামনে না করলেই কি নয়? এটাতো সবার সামনে না করলেই হয়?

প্রকাশ্যে যদি আপনি গাছ কাটতে পারেন তবে গরু ও কাটতে পারেন। তবে গাছ বেশী কাটলে পরিবেশের ক্ষতি।

হিন্দু ধর্মে উৎসর্গে প্রাণি হত্যা এবং গো হত্যা

★ হিন্দ ধর্মের নিয়ম-কানুন বর্ণিত গ্রন্থ মনুশ্রুতির ৫ম
অধ্যায়ের ৩০ নং শ্লোকে উল্লেখ করা আছে —
.
” খাবার গ্রহণকারী সেসব পশুর মাংসই খায়, যা খাওয়া যায় ৷
তবে এতে সে কোনে মন্দ কিছু করে না ৷ এমনকি
সে যদি এটা দিনের পর দিনও করে যায়; কেননা ঈশ্বর-ই
কতককে ভক্ষিত হওয়ার জন্য এবং কতককে ভক্ষক
হিসেবে সৃষ্টি করেছেন ৷”
.
★ আবার মনুশ্রুতির একই অধ্যায়ের পরবর্তী ৩১ নং
শ্লোকে বলা হয়েছে —
.
“উৎসর্গের শুদ্ধতার জন্য মাংস ভক্ষণ যথার্থ ,এটা ঈশ্বরের
বিধান হিসেবে প্রচলিত ৷ ”
.
★ অত:পর মনশ্রুতির ৫ম অধ্যায়ের ৩৯ এবং ৪০ নং
শ্লোকে বলা হয়েছে—
.
“ঈশ্বর নিজেই উৎসর্গের উপযোগী পশু সৃষ্টি
করেছেন – সুতরাং উৎসর্গের জন্য প্রাণী বধ হত্যা নয় ”
.
মহাভারতের অনুশাসন পর্বের ৮৮তম অধ্যায়ে ধর্মরাজ
যুধিষ্ঠির এবং পিতামহ ভিস্মদেবের মধ্যে শ্রাদ্ধের সময় কি
খাদ্য পরিবেশন করলে পিতৃপুরুষগণকে সন্তুষ্ট করা যাবে
এ সম্পর্কে যে কথপোকথন হয়েছে তা নিম্নরূপ—
.
‘যুধিষ্ঠির বলল , “হে মহাশক্তিমান প্রভু! আমাকে বলুন,
সেসব জিনিস কি কি যেগুলো পিতৃপুরুষদের শ্রাদ্ধে
উৎসর্গ করলে তারা শান্তি পাবে? কী কী জিনিস উৎসর্গ
করলে তা স্থায়িত্ব লাভ করবে? আর কী কী জিনিস
উৎসর্গ করলে তা চিরস্থায়ী হবে?
ভীষ্মদেব বললেন , যুধিষ্ঠির! তুমি আমার কাছে
শোনো – যেসব দ্রব্য সামগ্রী শ্রাদ্ধের জন্য
উপযোগী ও যথাযথ এবং যেসব ফলফলাদি তার সঙ্গে
দিতে হবে সীমের বিচি ,চাউল, বার্লি পানীয় এবং বৃক্ষমূল
ও ফলাহার যদি শ্রাদ্ধের সাথে যায় তাহলে হে রাজা! ৷
পিতৃপুরুষ এক মাসের জন্য সন্তুষ্ট থাকবে ৷ যদি শ্রাদ্ধে
মৎস উৎসর্গ করা হয় তাহলে তারা দু’মাসের জন্য সন্তুষ্টি
থাকবে ৷ শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে ভেড়ার মাংস পরিবেশন করলে তারা
(পিতৃপুরুষগণ) তিন মাসের জন্য সন্তুষ্ট থাকবে ৷
খরগোশের মাংস দ্বারা চার মাস, ছাগলের মাংস দ্বারা পাঁচ মাস,
শুকর মাংস দ্বারা ছয় মাস, পাখির মাংস দ্বারা সাত মাস,হরিণের মাংস
দ্বারা আট মাস পরিতৃপ্ত থাকবে ৷ রুকু হরিণ দ্বারা নয় মাস,
গয়ালের মাংস দ্বারা দশ মাস এবং মহিষের মাংস দ্বারা আপ্যায়ন
করলে তাদের সন্তুষ্টি স্থায়ী হয় এগারো মাস ৷ গরুর মাংস
দ্বারা তাদের সন্তুষ্টি স্থায়ী হয় পুরো একটি বছর ৷ ঘি
মিশ্রিত পায়েশ পিতৃপুরুষদের কাছে গরুর মাংসর মতই
গ্রহণীয় ৷ ভদ্রিনাশার (এক প্রকার বড় ষাঁড়) মাংস দ্বারা সন্তুষ্টি
স্থায়ী হয় বার বছর ৷ শুক্ল পক্ষের কোনো দিবসে
তাদের মৃত্যু হলে এবং সেই দিবসে শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানে
গন্ডারের মাংস দ্বারা আপ্যায়ন করতে পারলে তাদের
সন্তুষ্টি অক্ষয় হয়ে যায় ৷ ‘কালাসকা’ নামক সবজি , কাঞ্চন
ফুলের পাপড়ি ও লাল ছাগলের মাংস দিতে পারলেও তাদের
সন্তুষ্টি চিরস্থায়ী হয়ে যায় ৷
.
কি বুঝলেন?? হিন্দু ধর্মগ্রন্থগুলো তাদের
অনুসারীদেরকে আমিষ জাতীয় খাদ্য গ্রহণের অনুমতি
প্রদান করে ৷

নাস্তিকতা নিয়ে মনিষীদের মজার বক্তব্য

[১]
“আমি একবার নাস্তিক হতে চেয়েছিলাম কিন্তু হইনি – কারণ তাদের কোনো ছুটির দিন নাই!” [হেনরি ইয়াংম্যান]

[২]
“নাস্তিকদের ধরবেন কিভাবে? তাকে দাওয়াত দিয়ে খাওয়ার শেষে জিজ্ঞেস করুন- সেকি বিশ্বাস করে, এসকল খাবার কেউ একজন রেঁধেছে!” [সোর্স নাই]

[৩]
“মানুষ সবসময়ই তার ধর্মানুযায়ী তার সন্তানের নাম রাখে, কিন্তু কেউ কখনও তার সন্তানের জন্য নাস্তিকের নাম খোঁজে না।” [অজানা]

[৪]
“তথাকথিত বিবর্তনবাদী “বিজ্ঞান” হলো সসেজের মতো। যদি তুমি বিবর্তনবাদে বিশ্বাসটা চালিয়ে যেতে চাও, তাহলে তোমার জন্য ভালো হবে যে তুমি এটা কিভাবে বানানো হয়েছে তা দেখবে না।”
[অত্তো ভন বিসমার্ক]

[৫]
“একজন নাস্তিক সেই মানুষ যে কিনা বিশ্বাস করে তার জীবনটা একটি দুর্ঘটনা মাত্র।” [ফ্রান্সিস থম্পসন]

[৬]
“যদি স্রষ্টা না থাকতো, তবে কোনো নাস্তিকও থাকতো না।” [জিকে চেস্টারটোন]

[৭]
“এটাই প্রকৃত সত্য যে, যখন কোনো ব্যক্তি অল্প দর্শন জ্ঞান লাভ করেন, তখন তার স্বল্প জ্ঞান তাকে নাস্তিকতার দিকে ধাবিত করে, কিন্তু যখন তাঁর দর্শনের জ্ঞান গভীর হয়, তখন সেই জ্ঞান পুনরায় তাকে ধর্ম বিশ্বাসে ফিরিয়ে নিয়ে আসে।” [ফ্রান্সিস বেকন]

[৮]
“আমার খুব রাগ হয় যখন দেখি নাস্তিকরা তাদের মতের পক্ষে আমার কোনো কথা উদ্বৃত করে…।” [অ্যালবার্ট আইনস্টাইন]

[৯]
“আমার মনে হয়, যখন কোনো ব্যক্তি মাটির দিকে তাকায় তখন সে নাস্তিক হলেও হতে পারে। কিন্তু আমার অবাক লাগে, একজন ব্যক্তি আকাশের দিকে তাকিয়ে কিভাবে নাস্তিক থাকতে পারে!” [আব্রাহাম লিংকন]

[১০]
“নাস্তিকদের জন্য সব থেকে বাজে সময় হলো তখন, যখন সে সত্যিকারর্থেই কৃতজ্ঞ হয় অথচ কৃতজ্ঞতা জানানোর মতো তার কেউ থাকে না।” [দান্তে গ্যাব্রিয়াল রসেটি]

নাস্তিকদের নিয়ে কৌতুক

নাস্তিকরা ধার্মিকদের নিয়ে বেশ কৌতুক করে। আমিও চিন্তা করেছি, তাদের নিয়ে কিছু কৌতুক করা যায় কিনা। ফিডব্যাক। আজ প্রথম কৌতুক দিচ্ছি। ইংরেজী থেকে অনুবাদ করা।

[১]
এক নাস্তিক হোটেলে খেতে বসে স্যুপের অর্ডার দিল। ওয়েটার স্যুপ নিয়ে এলো। স্যুপের মধ্যে মাছি ছিল।

নাস্তিকঃ আমার স্যুপে মাছি কি করতাছে?
ওয়েটারঃ জ্বি, প্রার্থনা করতাছে।
নাস্তিকঃ মস্করা করো! যাও, নিয়া যাও, খামু না এই স্যুপ।
ওয়েটারঃ দেখলেন, মাছির দু’আ কবুল হইছে!

[২]
প্রশ্নঃ জানো, নাস্তিকদের জীবনের সব থেকে বড় ট্র্যাজেডি কি?
> কি?
উত্তরঃ তারা স্রষ্টাকে বিশ্বাস করে না, অথচ সারাক্ষণ স্রষ্টাকে নিয়েই কথা বলে।

[৩]
একবার এক নাস্তিক নিলাম থেকে একটা পুরোনো আমলের প্রদীপ কিনলো। সেটা বাসায় এনে ঘষামাজা করতেই সেই প্রদীপ থেকে আলাদিনের জিনের মতো এক জিন বের হয়ে এলো। এবং বলল

জিনঃ মালিক, আমি আপনার তিনটি ইচ্ছা পূর্ণ করব!
নাস্তিকঃ আমার মনে হয়, তোমাকে বিশ্বাস করা দরকার!
জিন প্রথম তুড়ি দিলো। নাস্তিকের মন পরিবর্তন হয়ে গেলো।
নাস্তিকঃ আরে বাহ্! আমি আশা করছি, সকল নাস্তিকই তোমাকে বিশ্বাস করবে।
জিন দ্বিতীয়ববার তুড়ি দিলো। নাস্তিকের মন আরো পরিবর্তন হয়ে গেলো।
নাস্তিকঃ এখন তো সমস্ত মানুষ তোমাকে বিশ্বাস করবে!

জিনঃ আপনার তৃতীয় ইচ্ছা কি?
নাস্তিকঃ আমাকে এক কোটি টাকা এনে দাও!
জিন তৃতীয়বার তুড়ি দিলো। কিন্তু এবার কিছুই হলো না।
নাস্তিকঃ কি হলো? কি সমস্যা?
জিনঃ এর কারণ হলো, তুমি আমাকে বিশ্বাস করেছো। তার মানে এটা জরুরী না যে আমার অস্তিত্ব আছে!

[৪] [নাস্তিক প্রতিবেশির কান্ড]

এক শহরে এক ধার্মিক নারী বাস করত। সেই নারী যে বাড়িতে থাকতো তার ঠিক বিপরীত বাড়িটিতে থাকত এক নাস্তিক ব্যক্তি। প্রতিদিন সকালে যখন সেই নারী প্রার্থনা করত, তখন সেই নাস্তিক ব্যক্তি দরজার কাছে দাড়িয়ে তার প্রার্থনা শুনতো আর সেই নারীর দিকে লক্ষ্য করে তাচ্ছিল্যভরে বলত, “হাহ্! সে পুরা পাগল হইয়া গেছে। সারাটাক্ষণ খালি প্রার্থনা করে। সে কি জানে না যে সৃষ্টিকর্তা বইলা কেউ নাই?”

এভাবে যখনই সেই ধার্মিক নারী প্রার্থনা করে, তখনই সেই প্রতিবেশী নাস্তিক এসে তাকে বিরক্ত করে বলে, “এই যে ভদ্রমহিলা! কেনো তুমি সারাক্ষণ প্রার্থনা করো? জানো না, সৃষ্টিকর্তা বলে কেউ নেই?” সেই ধার্মিক নারী তার এসকল কথায় কোনো ভ্রুক্ষেপ করে না। তার প্রার্থনা সে চালিয়ে যায়।

একদিন সেই ধার্মিক নারী মুদিদোকানে ছুটল। আর যথারীতি সে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করল, তার অবস্থার কথা বিবেচনা করে এবং অতীতে প্রভু তার সাথে যেমনটি আচরণ করেছেন তার জন্য শুকরিয়া জ্ঞাপন করল। এসব দেখে, সেই নাস্তিক রেগে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিলো, এর একটা বিহিত করতে হবে।

সেই নাস্তিক তখন সেই মুদি দোকানে গিয়ে, মুদি দোকানের বেশ কিছু মালামাল নিয়ে এসে গোপনে সেই ধার্মিক নারীর বাসার দরজার সামনে রেখে, বেল বাজিয়ে নিজেকে আড়ালে লুকিয়ে ফেলল এটা দেখার জন্য যে, এসব দেখে সেই নারী কি করে!

মহিলা দরজা খুলল। খুলে তার প্রয়োজনীয় সেই সামগ্রী দেখে যারপরনাই খুশি হয়ে অন্তরের অনঃস্থল থেকে সৃষ্টিকর্তার দরবারে শুকরিয়া স্বরূপ প্রার্থনা করল, খুশিতে লাফাতে লাগল, গুনগুনিয়ে গান গাইতে লাগল, আর ঘরের মধ্যে চিৎকার করে আনন্দ প্রকাশ করতে লাগল।

এসব দেখে সেই নাস্তিক আর সহ্য করতে পারল না। সে আড়াল থেকে বের হয়ে সেই নারীর উদ্দেশ্যে বলল, “আরে, বোকা মহিলা! এগুলো তোমার সৃষ্টিকর্তা তোমাকে পাঠায়নি, এগুলো আমি কিনে এনেছি।” এসব শুনে সেই ধার্মিক মহিলা ভেঙ্গে পড়ল। সে রেগেমেগে সিড়ি দিয়ে নেমে উঠোনে দাড়িয়ে সৃষ্টিকর্তার দরবারে হাত উঠিয়ে চিৎকার করে অনুযোগ করা শুরু করল। পেছন পেছন সেই নাস্তিকও সিড়ি দিয়ে নেমে এসে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, “কি হলো তোমার? এমন করছো কেনো?” সেই ধার্মিক নারী বলল, “আমি জানতাম সৃষ্টিকর্তা আমার প্রর্থনা শুনবেন। আর তিনি আমাকে অবশ্যই কিছু মুদি সামগ্রী পাঠাবেন। কিন্তু এটা জানতাম না যে, এসকল সামগ্রী দিতে তিনি শয়তানের পকেটের টাকা খসাবেন!

[৫]
এক মহিলার গর্ভে যমজ শিশু একে অপরের সাথে কথা বলছে।
১ম শিশুঃ ভাই! জন্মের পরের জীবন নিয়ে তোমার কি মত? তুমি কি মায়ের অস্তিত্বে বিশ্বাস করো?
২য় শিশুঃ নারে ভাই! আমি এসবে বিশ্বাস করি না। আমি নাস্তিক। তুই কি কোনোদিন মাকে দেখছিশ?

[৬]
এক কবরের প্রস্তরফলকে লেখা-
“এইখানে এক নাস্তিক খুব সুন্দর পোষাক পরিহিত অবস্থায় আছে, যার যাবার কোনো জায়গা নাই!”

[৭] [নাস্তিক আর গিলোটিন]
ফ্রেঞ্চ রেভোলুশনের সময়কার কথা। এক সকালে প্রাণদন্ডের জন্য গিলোটিনের সামনে তিনজনকে উপস্থিত করা হলো। একজন ইহুদি রাব্বি, একজন খ্রিস্টান ক্যাথলিক প্রিস্ট এবং একজন যুক্তিবাদী অবিশ্বাসী নাস্তিক!

ইহুদী রাব্বিকে প্রথমে মঞ্চে আনা হলো। তাকে জিজ্ঞাস করা হলো, তার কোনো শেষ কথা বলার আছে কিনা! রাব্বি কেঁদে কেঁদে বলল, “আমি এক এবং সত্য প্রভুকে বিশ্বাস করি, আর সে-ই আমাকে রক্ষা করবেন।” এরপর জল্লাদ তাকে ব্লেডের নিচে পজিশন করিয়ে ব্লেড ছেড়ে দিলো। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে তা রাব্বির ঘাড় পর্যন্ত এসে ক্যাক করে থেমে গেলো। রাব্বি কাপা কাপা গদো গদো কন্ঠে বলে উঠল, “বলেছিলাম না!” উপস্থিত জনতা অবাক হয়ে “অলৌকিক কান্ড” বলে ফিসফিস করতে লাগলো। জল্লাদ রাব্বির সাথে একমত হয়ে তাকে ছেড়ে দিলো!

এরপর খ্রিস্টান ক্যাথলিক প্রিস্টের পালা। তাকেও মঞ্চে এনে জিজ্ঞেস করা হলো, তার কোনো শেষ কথা বলার আছে কিনা! প্রিস্ট ঘোষণা দিয়ে বলল, “আমি যিশুকে বিশ্বাস করি, বিশ্বাস করি পিতা, পুত্র এবং পবিত্র আত্মাকে, তারাই আমাকে উদ্ধার করবেন যখন আমার প্রয়োজন হবে।” প্রিস্টের কথা শেষ হতেই তাকেও ব্লেডের নিচে মাথা রেখে পজিশন করানো হলো। এবং ব্লেড ছেড়ে দেওয়া হলো। একি! এবারও ক্র্যাক করে প্রিস্টের ঘাড় পর্যন্ত এসে গিলোটিন থেমে গেলো! এবারও উপস্থিত জনতা হাতাশার সাথে আবারও “অলৌকিক কান্ড” বলে দীর্ঘশ্বাস ফেললো। জল্লাদেরও কিছু করার ছিলো না, প্রিস্টকেও ছেড়ে দিলো।

এবার পালা যুক্তিবাদী নাস্তিকের। জল্লাদ জিজ্ঞেস করলো, “কোনো শেষ কথা বলার আছে কিনা!” নাস্তিক কোনো কথায় কর্ণপাত করল না। স্থির দাড়িয়ে রইলো। যেনো সে আর তার মধ্যে নেই, হারিয়ে গিয়েছে। এক দৃষ্টিতে গিলোটিনের দিকে তাকিয়ে আছে। এবার জল্লাদ নাস্তিকের বুকের পাঁজরে খোঁচা দিলো। আবার প্রশ্ন করলো, “শেষ কথা কিছু বলবে?” নাস্তিকের যেনো হুশ ফিরলো! বলল, “আমি তোমার গিলোটিনের সমস্যা দেখলাম। গিলোটিনের গিয়ারে সমস্যা আছে, (হাত দিয়ে ইশারা করে) ঐখানটাতে একটা ব্লক আছে!”

[৮]
এক নাস্তিক তার স্ত্রীকে ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে উপুর হয়ে দেখতে লাগল। স্ত্রী মাটিতে পড়েই থেতলে মরে গেলো।

পুলিশ এসে তাকে ধরে নিয়ে গেলো। তাকে জিজ্ঞাস করল, “কেন তুমি তোমার স্ত্রীকে ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলে?”

নাস্তিক ব্যক্তিটি জবাব দিলো, “আসলে আমি বিবর্তনবাদে বিশ্বাসী। আমি বিশ্বাস করি, যোগ্যতমরাই টিকে থাকে। সারভাইবাল অব দি ফিটেস্ট। আমি ভাবলাম, আমার স্ত্রী যদি বেঁচে থাকার যোগ্য হয়, তবে অবশ্যই তার হাত দুটো তার বেঁচে থাকার প্রয়োজনেই পাখির ডানার মতো হয়ে যাবে। আর উড়ে আমার কাছে চলে আসবে। কিন্তু আফসোস, সে বেঁচে থাকার যোগ্য ছিল না!

[৯]
একবার প্লেন ক্র্যাশ করে এক নাস্তিক আমাজন জঙ্গলে পড়ল! সেখানে দুজন নরখাদক সেই নাস্তিককে পেয়ে তাকে মেরে ফেলে খেতে শুরু করল। একজন খুব বিরক্ত হয়ে আরেকজনের উদ্দেশ্যে বলল, “এরকম পাইনসা মানুষ জীবনে খাইছস? দে, একটু লবন দে…!”

[১০] [রিচার্ড ডকিন্স এবং এক শিশু]

বর্তমান বিশ্বে নাস্তিকদের এক পুরোহিতের নাম রিচার্ড ডকিন্স। সে একবার এক শিশুকে পড়াচ্ছিলেন। ডকিন্স শিশুটির উদ্দেশ্যে একটি মন্তব্য করে বসলেন।

ডকিন্সঃ সৃষ্টিকর্তাকে দেখা যায় না, অতএব সৃষ্টিকর্তা নেই।
(পড়ার টেবিলের উপর ছিল মাটির তৈরি একটি পুতুল। পুতুলকে দেখিয়ে শিশুটি বলল)
শিশুঃ এই পুতুলটাও তার সৃষ্টিকর্তাকে দেখতে পায় না। অতএব এই পুতুলটারও সৃষ্টিকর্তা নেই।

[১১] [ওরাংওটাং]

একবার এক চিড়িয়াখানার রক্ষনাবেক্ষণকারী দেখলেন, ওরাংওটাংয়ের খাঁচায় এক ওরাংওটাং অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে এক হাতে ধর্মের বই আরেক হাতে “চার্লস ডারউইন”র “অরিজিন অব স্পিসিস” বইটি পড়ছে। এটা দেখে সেই রক্ষাণাবেক্ষণকারীর চোখ ছানাবড়া। সে কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল, “তুমি কেন এক সাথে এই দুটি বই পড়ছো?”
জবাবে ওরাংওটাং বললো, “আসলে আমি জানতে চাচ্ছি যে, আমি কি আমার ভাইয়ের রক্ষক ছিলাম, নাকি রক্ষকের ভাই ছিলাম!”

[১২] [জাহাজের ক্যাপ্টেন ও নাস্তিক]

প্রচন্ড ঝড়ের ভেতর একটি জাহাজ খুব দ্রুত ডুবে যাবার উপক্রম হলো। জাহাজের ক্যাপ্টেন সেটা বুঝে আগেভাগে সবাইকে “লাইফ জ্যাকেট” পড়তে বললেন। একটু পর তিনি বললেন, “এই জাহাজে কি কোনো বিজ্ঞানপন্থী, প্রযুক্তিপ্রেমী, সাহসী নাস্তিক আছে?” একজন হাত তুলে গর্বের সাথে বুক উচু করে ক্যাপ্টেনের কাছে এগিয়ে এলো।

ক্যাপ্টেন সেই নাস্তিককে উদ্দেশ্য করে বললো- “তুমিই এখন থেকে এই জাহাজের ক্যাপ্টেন। তোমার প্রযুক্তি প্রেম দ্বারা জাহাজ পাড়ে ভেড়ানোর চেষ্টা করো। আর আমরা আপাতত সাঁতরে পাড়ে পৌছার চেষ্টা করি। আসলে, আমাদের একটি “লাইফ জ্যাকেট” শর্ট পড়েছে‍!”

[১৩]
একবার এক নাস্তিক একা একটি নৌকা করে লেকে ভ্রমণ করছিল। সন্ধ্যার নির্জনে সবদিক কালো হয়ে গেলে হঠাৎ কয়েকটি উদ্ভট চেহারার জিন তাকে ঘিরে ধরলো। সে সজোরে নৌকা বাইতে চেষ্টা করেও পারছিলো না। সে আতংকগ্রস্ত হয়ে চিৎকার করে বলতে লাগলো- “আল্লাহ বাঁচাও, আল্লাহ বাঁচাও!”
আল্লাহর নাম নেওয়ায় জিনরা থমকে গেলো। তারা একে অপরের দিকে বোকার মতো চাওয়া চা্‌উয়ি শুরু করল। গায়েব থেকে আওয়াজ এলো- “তুমি তো বলো, আমাকে বিশ্বাস করো না, কিন্তু এখন তুমি কিনা আমারই সাহায্য চাইছো?

নাস্তিক ব্যক্তিটি বলল- “১০ সেকেন্ড আগে আমি জিনও বিশ্বাস করতাম না!”

[১৪] [সাংবাদিক ও হুমায়ুন আজাদ]

হুমায়ুন আজাদঃ যারা নিজ নিজ ধর্ম (মতবাদ)-টাকে সত্য বলে মনে করে, তারা হলো একেকটা গাধা।
সাংবাদিকঃ আপনি নাস্তিকতা মতবাদ পোষণ করেন, সেটাকে কি সত্য বলে মনে করেন?
হুমায়ুন আজাদঃ অবশ্যই!

[১৫] [সাংবাদিক ও তসলিমা নাসরিন]

এক সাংবাদিক তসলিমা নাসরিনকে জিজ্ঞাস করলো

সাংবাদিকঃ আপনার শরীর বড়ই ভেঙ্গে গেছে। এভাবে চললে আপনি আর কতদিন লেখালেখি চালিয়ে যেতে পারবেন? আপনার পরিবর্তন দরকার।

তসলিমা নাসরিনঃ পরিবর্তন! জানেন, আমার জীবনে এ পর্যন্ত একবার ধর্ম, দু দু’বার করে দেশ, তিন তিনবার স্বামী, অসংখ্য পুরুষের সাথে বিছানা পরিবর্তন করেছি। আর কি পরিবর্তন প্রত্যাশা করেন আপনি?

[১৬] [নাস্তিক ও ডাক্তার]

এক নাস্তিক ডাক্তারের কাছে গেলো। ডাক্তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বললেন

ডাক্তারঃ আপনাকে এখন থেকে বেশি বেশি ফল খেতে হবে।
নাস্তিকঃ আমি ফল খুবই ভালোবাসি।
ডাক্তারঃ খুব ভালো। তবে ফল যখন খাবেন, তখন খোসা সহ খাবেন। কারণ ফলের খোসাতেই সর্ব প্রকার ভিটামিন থাকে। তো, আপনার প্রিয় ফল কি?
নাস্তিকঃ (একটু ইতস্তত করে বলল) নারিকেল!

চলবে…

সিহাহ সিত্তাহ কিতাবে রাসূলের কন্যাগণের উল্লেখ

শিয়া মিথ্যু খবিশের দল চতুর্থ খলিফা হযরত আলী রা. এর পূজা করতে করতে এমন একটা পর্যায়ে পৌঁছে গেছে যে, তারা সত্যটা এখন চোখেই লাগায় না। মিথ্যা কথা বলে তারা সুন্নিদের বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত।

শিয়ারা বলে-
‘ইতিহাস বলে মা ফাতিমা বাদে নবী সাঃ অন্য যে কন্যা সন্তান গন ছিল তা ছিল মা খাদিজার পালক কন্যা মানে তার বোনের (হালা’র) সন্তান। নবী সাঃ এর ঔরুষজাত কন্যা একমাত্র মা ফাতিমা বাকি সব পালক সন্তান।’

জবাব
ইতিহাস বলে রাসূল (সা:) এর ২ ছেলে ও ৪ মেয়ে খাদিজা (রা:) এর গর্ভের এবং ইবরাহীম রাসূল (সা:) এর সর্বশেষ
স্ত্রী মারিয়া কিবতিয়া (রা:) এর গর্ভের ৷

বুখারী শরীফে হযরত উম্মে কুলসুম (রা.) এর উল্লেখ
.

Sahi bukhari 2.374: Narrated Anas bin Malik: We were (in the funeral procession) of one of the daughters of the Prophet and he was sitting by the side of the grave. I saw his eyes shedding tears. He said, “Is there anyone among you who did not have sexual relations with his wife last night?” Abu Talha replied in the affirmative. And so the Prophet told him to get down in the grave. And so he got down in her grave.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর এক কন্যা [উম্মু কুলসুম (রা.)]-এর জানাযায় উপস্থিত হলাম। আল্লাহর রসূল কবরের পার্শ্বে উপবিষ্ট ছিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, তখন আমি তাঁর চক্ষু হতে অশ্রু ঝরতে দেখলাম। বর্ণনাকারী বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে কি এমন কেউ আছে, যে আজ রাতে স্ত্রী মিলন করোনি? আবূ তালহা (রাঃ) বললেন, আমি। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তা হলে তুমি (ক্ববরে) অবতরণ কর। রাবী বলেন, তখন তিনি আবূ তালহা (রাঃ) তাঁর ক্ববরে অবতরণ করলেন।

[সহীহ বুখারী (তাওহীদ), ২৩/ জানাযা১২৮৫. (১৩৪২) (আ.প্র. ১২০২, ই.ফা. ১২১০)]

Sahi bukhari 7.733: Narrated Anas bin Malik: that he had seen Um Kulthum, the daughter of Allah’s Apostle, wearing a red silk garment.

It was narrated from Abu Hurayrah radiyallaahu`anhu that the Prophet (saw) stood at the door of the mosque and said: “O ‘Uthman, Jibreel has told me that Allah wants you to marry Umm Kulthoom for a dowry similar to that of Ruqayyah and to treat her with similar kindness.”

[Sunan Ibn Majah, no.110.]

It was narrated that Layla bint Qanif al-Thaqafiyyah said: I was among those who washed Umm Kulthoom the daughter of the Messenger of Allah (saw) when she died. The first thing that the Messenger of Allah (saw) gave to us was the waist wrapper, then the chemise, then the head cover, then the large wrapper, then after that she was wrapped in another cloth. The Messenger of Allah (saw) was at the door with her shroud, handing the pieces to us one by one.

[ Sunan Abi Dawood, no. 3157]

উম্মে কুলসুম
Umm Kulthum (Arabic: أم كلثوم‎) was the third daughter of the Islamic prophet Muhammad from his first wife Khadijah bint Khuwaylid. Umm Kulthum died in Sha’ban 9 A.H.

[Ibn Kathir. Al-Sira Al-Nabawiyya (PDF). Garner Publishing Limited. p. 52 Vol. 4. Retrieved 31 August 2014.]

হযরত রুকাইয়া বিনতে মুহাম্মাদ (রা.)

Sahi bukhari 5.48: …the daughter(ruqayya) of Allah’s Apostle was his(uthman) wife and she was sick then. Allah’s Apostle said to him, “You will receive the same reward and share (of the booty) as anyone of those who participated in the battle of Badr (if you stay with her).
[

হযরত জায়নাব বিনতে মুহাম্মাদ (রা.)

Sahi bukhari 1.495: Narrated Abu Qatada Al−Ansari: Allah’s Apostle was praying and he was carrying Umama the daughters of Zainab, the daughter of Allah’s Apostle and she(umama) was the daughter of ‘As bin Rabi`a bin `Abd Shams. When he prostrated, he put her down and when he stood, he carried her (on his neck)

Daughters of Muhammad and Khadijah

The daughters attributed to Muhammad are;

Zainab bint Muhammad, married to her maternal cousin Abu al-Aas ibn al-Rabee before Hijra

Ruqayyah bint Muhammad, was first married to Utbah ibn Abu Lahab and then to Uthman ibn Affan

Umm Kulthum bint Muhammad, was first married to Utaybah bin Abu Lahab and then to Uthman ibn Affan after the death of her sister Ruqayyah

Fatimah, was married to Ali (Ali ibn Abi Talib)

The famous Sunni scholar Yusuf ibn abd al-Barr says: “His children born of Khadīja are four daughters; there is no difference of opinion about that”.

[ al-Istī`āb fī Ma`rifat al-Aşĥāb (Yusuf ibn abd al-Barr, The Comprehensive Compilation of the Names of the Prophet’s Companions) vol.1 pp.50]

Sunnis do not contest the parentage of Khadijah’s daughters and believe that all four were borne to Muhammad.[citation needed] They affirm what the Qur’an states,

“O Prophet! Tell your wives and your daughters and the women of the believers…”.
[ Quran 33:59]

The Quran Declares That the Prophet Has More Than One Daughter

Allah says in the Quran:

“O Prophet! Say to your wives and your daughters and the women of the believers that they let down upon them their over-garments; this will be more proper, that they may be known, and thus they will not be given trouble; and Allah is Forgiving, Merciful.” (Quran, 33:59)

Here, Allah uses the plural word for daughters, not the singular form. Allah uses the term “banaatuka” which means “your daughters.” If it was one daughter only, it would be “bintuka.” This completely negates the claim that the Prophet (saw) had only one daughter. Had this been the case, then surely Allah would have not used the plural form, since Allah is above making grammatical mistakes. (We hope that the noble Sahabah will not be accused of doing Tahreef or tampering of the Quran!) We could provide more evidence to prove this fact of history, but it will certainly be a pointless endeavor if a Muslim cannot accept an evidence as ideologically authoritative as the Quran.

তথ্যসূত্রঃ (এমন কি শিয়াদের কিতাবেও রাসূলের কন্যাদের স্বীকৃতি রয়েছে। বিস্তারিত জানতে নিচের লিংকটি পড়ুন।)
https://youpuncturedtheark.wordpress.com/2010/10/11/how-many-daughters-did-prophetsaw-had/

নাস্তিকদের মুখে কিছু সত্যবচন

১. Atheism is a faith based belief system:

there are atheists out there who don’t deny their view is faith based:

“I am an atheist. My attitude is not based on science, but rather on faith. . . The absence of a Creator, the non-existence of God is my childhood faith, my adult belief, unshakable and holy.”

-George Klein (‘The Atheist in the Holy City.’)

২. Proof for God:

“All the proofs of God’s existence may fail, but it still may be the case that God exists. In short, to show that the proofs do not work is not enough by itself. It may still be the case that God exists.”

-Kai Nielsen (‘Reason and Practice.’)

৩. On atheism objective morality does not exist:

“When one gives up Christian belief one thereby deprives oneself of the right to Christian morality. For the latter is not self—evident. . . Christianity is a system.”

-Friedrich Nietzsche (‘Twilight of the Idols.’)

“…to say that something is wrong because . . . it is forbidden by God, is . . . perfectly understandable to anyone who believes in a law-giving God. But to say that something is wrong . . . even though no God exists to forbid it, is not understandable. . . .” “The concept of moral obligation [is] unintelligible apart from the idea of God. The words remain but their meaning is gone.”

-Richard Taylor (Atheist, ‘Ethics, Faith, and Reason.’)

“There is no objective moral standard. We are responsible for our own actions….” “The hard answer is it [moral decisions] is a matter of opinion.”

-David Silverman (Debate with Frank Turek: ‘Which offers a better explanation for reality -Theism or Atheism?’)

৪. Just those militant types!

“I think religion should be treated with ridicule, hatred and contempt, and I claim that right.”

-Christopher Hitchens (A talk in Canada on Free Speech, November 2006.)

“Mock them, Ridicule them… in public.”

-Richard Dawkins (“Reason” Rally)

“The world needs to wake up from the long nightmare of religion … anything we scientists can do to weaken the hold of religion should be done, and may in fact be our greatest contribution to civilization.”

-Steven Weinberg (‘A Designer Universe?’)

“If I could wave a magic wand and get rid of either rape or religion, I would not hesitate to get rid of religion.”

-Sam Harris (Interview: ‘The Temple Of Reason.’)

৫. Other atheists on those militant types.

“I think they are atheist fundamentalists. They’re anti-religious and they’re mean spirited, unfortunately. Now, they are very good atheists and very dedicated people who do not believe in God. But you have this aggressive and militant phase of atheism, and that does more damage than good.”

-Paul Kurtz (Quoted in: ‘A Bitter Rift Divides Atheists.’)

“The God Delusion makes me embarrassed to be an atheist and the McGraths show why.”

-Michael Ruse (‘Front cover of The Dawkins Delusion.’)

Mr. Ruse, I agree! Especially having had read Dawkins book twice over for myself. I think philosopher of science John Lennox is rather apt: “Atheists are clearly divided about the aggressive approach of the New Atheists, and some find it positively embarrassing.” (‘Gunning for God.’)

No purpose in life.

“There is no purpose to life, and we should not want there to be a purpose to life because if there was that would cheapen life.”

-Dan Barker (Debate vs. James White: ‘The Triune God of Scripture Lives!‘)

Consider the following:

‘Let me summarize my views on what modern evolutionary biology tells us loud and clear … There are no gods, no purposes, no goal-directed forces of any kind. There is no life after death. When I die, I am absolutely certain that I am going to be dead. That’s the end for me. There is no ultimate foundation for ethics, no ultimate meaning to life, and no free will for humans, either.’

-William Provine (‘Origins Research.’)

তথ্যসূত্রঃ
https://jamesbishopblog.wordpress.com/2015/09/07/26-brutally-honest-atheist-quotes-worth-a-read/

বজরঙ্গি ভাইজান এবং ক্ষত্রিয় রামের আমিষভোজন

“বজরঙ্গি ভাইজান” ভারতের বলিউডের একটি চলচ্চিত্র। ফেসবুকের মাধ্যমে প্রথম জানতে পারি। চলতি বছরের রমযানের ঈদ উপলক্ষে সিনেমাটি রিলিজড হয়। সিনেমার নাম শুনেই আমার “বজরঙ্গ দল”র কথা মনে পড়ল।

বজরঙ্গ দল (The Bajrang Dal is a militant Hindu organisation) একটি হিন্দু উগ্রপন্থী জঙ্গিবাদী সংগঠন। প্রতিষ্ঠিত হয় 1 October 1984 (30 years ago)। The name “Bajrang” is a reference to the Hindu deity Hanuman. গরুর হত্যার ব্যপারেও এরা চরম কট্টর। ভারতে মুসলমানদের জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে তাদের দুঃচিন্তার শেষ নেই।

According to the Human Rights Watch, Bajrang Dal had been involved in riots against Muslims in the 2002 Gujarat violence. তারা গুজরাটের দাঙ্গার সাথে জড়িত ছিল। এছাড়াও নানান উগ্রতার স্বাক্ষর তারা রেখেছেন।।

বজরঙ্গি ভাইজান মুভিটিতে নায়ক হিসেবে অভিনয় করেছেন সালমান খান। চরিত্রটা কট্টরপন্থী হিন্দুত্ববাদীর। নিরামিষী। হনুমান বা বানর ভক্ত। বানর দেখলেই হাত জোড় করে নমস্কার জানান।

কাহিনী সার সংক্ষেপঃ
সিনেমাটি শুরু হয় একটি মুসলিম পরিবারের টিভি দেখা কেন্দ্র করে। ক্রিকেট ম্যাচ হচ্ছিল ভারত বনাম পাকিস্তানের। সেই পরিবারটি ছিল পাকিস্তানের কাশ্মীরের সুলতানপুর গ্রামে। ক্রিকেট দেখছিল একজন গর্ভবতী নারী। তিনি বলেন, ছেলে হলে তার নাম রাখবে শাহিদ। একজন নারী তাকে বলল, যদি মেয়ে হয়। তারপর দেখা গেল, সেই মহিলার মেয়েই হলো। তার নাম রাখা হলো শাহিদা।

শাহিদা জন্ম থেকে বোবা। কথা বলতে পারে না, তবে কানে শোনে, সবই বোঝে। শাহিদার যখন ৬বছর বয়স তখন সবার পরামর্শে শাহিদার মা দিল্লীর খাজা নিজামুদ্দিন আউলিয়ার দরগাহে যান তার মেয়ের বাকশক্তি ফিরে পেতে। (এখানে ইসলামকে মাজারকেন্দ্রিক ধর্ম হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে)। মাজার থেকে ফেরার পথে শাহিদা মধ্য রাতে সবাই যখন ট্রেনে ঘুমুচ্ছিল, ট্রেনের যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে থেমে ছিল, শাহিদা ট্রেন থেকে নীচে নামে একটি বকরী ছানাকে গর্ত থেকে উদ্ধার করার জন্য। এর মধ্যে ট্রেন ছেড়ে দেয়। শাহিদা হারিয়ে যায়।

ঘটনাচক্রে বজরঙ্গি নামের ব্যক্তির সাথে শাহিদার পরিচয় হয়। শাহিদা যেহেতু কথা বলতে পারে না, তাই সে তাকে হিন্দু মনে করেই তাদের বাসায় নিয়ে যায়। ধীরে ধীরে শাহিদার বিভিন্ন আচরণে প্রকাশ হয়ে যায় যে শাহিদা মুসলমান এবং পাকিস্তানী।
(কাহিনী এর বেশি বলার দরকার মনে করছি না।)

এর মধ্যে প্রথম যে আচরণটি বজরঙ্গি আবিষ্কার করে তা হলো, শাহিদার মাংসপ্রীতি। সে তাদের বাসার পাশে এক মুসলিম পরিবারে গিয়ে ফ্রাই খেতে থাকে। এটা দেখার পর বজরঙ্গি শাহিদাকে হিন্দু মনে করে প্রবোধ দেয়, আরে, ভগবান রাম তো ক্ষত্রিয় (Kshatriya) ছিলেন। তিনি মাংস খেতেন।

ঘটনাটি উইকিপিডিয়াতে এভাবে লেখা হয়েছে-
One day, at lunchtime, Munni manages to slip away unnoticed. They track her to their next door neighbors’ house, where she is eating meat. Bajrangi is then convinced that she is not a Brahmin, but in fact a Kshatriya.
(শাহিদা যেহেতু কথা বলতে পারে না, তাই বজরঙ্গি তাকে মুন্নী নামে ডাকত)।

মোরালঃ
এ সিনেমা যারা দেখেছেন বা শুনেছেন, তারা নিশ্চয়ই একটি বিষয় বুঝেছেন বা জানতে পেরেছেন, হিন্দুদের যে বর্ণপ্রথা রয়েছে (ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য এবং শূদ্র) এর মধ্য ক্ষত্রিয়রা মাংস খেত বা খেতে পারে। আর দ্বিতীয়ত, হিন্দুদের পূজিত ভগবান রাম একজন ক্ষত্রিয় ছিলেন এবং তিনি মাংস খেতেন। শুধু যে মাংস খেতেন তা নয় গরুর মাংসও খেতেন। সামনের পর্বে আমি এটা তাদের ধর্মগ্রন্থ থেকে প্রমাণ করার চেষ্টা করব ইন শা আল্লাহ।।

তথ্যসূত্রঃ
১)
https://en.m.wikipedia.org/wiki/Bajrang_Dal
২)
https://en.m.wikipedia.org/wiki/Bajrangi_Bhaijaan

রাসূল হারাম হালালের বিধান দিতে পারেন কিনা

রাসুল সা. পারেন। প্রমাণ লাগবে কুরআন হাদীস থেকে? দলিল দিচ্ছি। সুরা হাশর আয়াত ৭।

“…রাসূল তোমাদেরকে যা দেন, তা গ্রহণ কর এবং যা নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাক এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা।”
(৫৯নং সূরা আল হাশর, আয়াত ৭)

ফিকহের পরিভাষায় ফুকাহাদের স্তর বিন্যাসের সময় রাসুল কে “সাহেবে শরীয়ত” বা “শরিয়তওয়ালা” বলা হয়।

clear হচ্ছে না? আচ্ছা। ফকীহদের rank আছে। এর মধ্যে রাসুলের rank সবার উপরে, সেটা হচ্ছে “সাহেবে শরিয়ত”।

তো এ Rank এ থাকলে কি সে হারাম হালার বিধান দিতে পারেন? প্রমাণ কি? আলবত। একমাত্র ইনিই পারবেন। আর আল্লাহ তো অনেক উপরের কথা।

কয়েকটা উদাহরণ দিচ্ছি যে, রাসূল হারাম বলেছেন বা হারাম করেছেন আল্লাহর সরাসরি সুস্পষ্ট কোনো কুরআনের আয়াত নাযিল ছাড়া!

যেমন
(১)
দাড়ি কাটতে রাসূল নিষেধ করেছেন। সেটা কি হারাম না? পবিত্র কুরআনে কোথাও তো আল্লাহ দাড়ি রাখতেও বলেননি কাটতেও বলেননি।

আচ্ছা, দাড়ি রাখা কি আল্লাহর আদেশ, নাকি নবীর আদেশ? কেউ বলে দাড়ি রাখা সুন্নাত, কেউ বলে ওয়াজিব, কেউ বলে ফরজ।

পবিত্র কুরআনে সরাসরি দাড়ি রাখার কথা বলা হয়নি। তবে কুরআনে একটি আয়াত আছে যেখানে দাড়ি সম্পর্কে বলা আছে। কুরআনে এসেছে, মুসা (আঃ) তার কওমের (গোষ্ঠির) নিকট ফিরে এসে যখন দেখলেন তার কওম গোমরাহ হয়ে গেছে, তখন তিনি হারুন (আঃ)-কে প্রশ্ন করলেন এবং হারুন (আঃ) জবাব দিলেন।

“হে আমার মায়ের ছেলে! আমার দাড়ি ধরো না এবং আমার মাথার চুলও টেনোনা…”
(সূরা তাহাঃ৯৪)

অর্থাৎ এখানে বুঝা যাচ্ছে মুসা (আঃ) তার ভাই হারুন (আঃ) এর দাড়ি ধরেছিলেন। অন্যকথায়, হারুন (আঃ) যিনি একজন আল্লাহ্র নবী; তার দাড়ি ছিল। কিন্তু এখানে দাড়ি রাখার ব্যাপারে সুস্পষ্ট হুকুম পাওয়া যায় না। তবে, কুরআনের বিভিন্ন জায়গায় বলা হয়েছে,

“তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রাসূলের আনুগত্য কর”

এটির উল্লেখ আছে, সূরা আলে ইমরানের ১৩২নং আয়াতে, সুরা নিসার ৫৯নং আয়াতে, সূরা মায়িদাহর ৯২নং আয়াতে, সূরা আনফালের ১নং, ২০নং ও ৪৬নং আয়াতে, সূরা নূরের ৫৪নং ও ৫৬নং আয়াতে আরো অনেক আয়াতে।

এখান থেকে স্পষ্ট যে রাসূল (সা) এর আনুগত্য করাটাও আল্লাহ্র আনুগত্যে করার মতই জরুরি।

হযরত ইবনে ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন-তোমরা মুশরিকদের বিরোধীতা কর। দাড়ি লম্বা কর। আর গোঁফকে খাট কর।
আর ইবনে ওমর রাঃ যখন হজ্ব বা ওমরা করতেন, তখন তিনি তার দাড়িকে মুঠ করে ধরতেন, তারপর অতিরিক্ত অংশ কেটে ফেলতেন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৫৫৫৩]

২-হযরত আবু হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমরা গোঁফকে কর্তন কর, এবং দাড়িকে লম্বা কর। তোমরা অগ্নিপূজকদের বিপরীত কর।
[সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-৬২৬]

তথ্যসূত্রঃ
১. দাড়ি সম্পর্কে রাসূল সাঃ এর বাণী
http://jamiatulasad.com/?p=1813
৩. নূরানী চেহারা, মাওলানা মুহাম্মাদ যাকারিয়া আব্দুল্লাহ
http://www.alkawsar.com/article/509

যেমন, জাকির নায়েকের এই লেকচার শুনেন। তিনি ফরজ বলেছেন। আপনি কি তার সাথে একমত?

(২)
বাদ্যযন্ত্র বাজানো রাসূল নিষেধ করেছেন।
রাসূল (সা.) বাদ্যযন্ত্র ও গান-বাজনা হ’তে সতর্ক করে বলেন, لَيَكُوْنَنَّ مِنْ أُمَّتِىْ أَقْوَامٌ يَسْتَحِلُّوْنَ الْحِرَ وَالْحَرِيْرَ وَالْخَمْرَ وَالْمَعَازِفَ
‘আমার উম্মতের মধ্যে অবশ্যই একটি দল হবে যারা ব্যভিচার, রেশমী বস্ত্র, মদ ও বাদ্যযন্ত্রকে হালাল মনে করবে’।

[বুখারী হা/৫৫৯০; মিশকাত হা/৫৩৪৩।]

অর্থাৎ তারা এগুলিকে হালাল মনে করে ব্যবহার করবে। যদিও এগুলো হারাম।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও ইরশাদ করেন, আমার উম্মতের কিছু লোক মদের নাম পরিবর্তন করে তা পান করবে। আর তাদের মাথার উপর বাদ্যযন্ত্র ও গায়িকা রমনীদের গান বাজতে থাকবে। আল্লাহ তাআলা তাদেরকে যমীনে ধ্বসিয়ে দিবেন।
[সুনানে ইবনে মাজাহ হাদীস : ৪০২০; সহীহ ইবনে হিব্বান হাদীস : ৬৭৫৮]

সহীহ মুসলিমে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ঘণ্টি, বাজা, ঘুঙুর হল শয়তানের বাদ্যযন্ত্র।
[সহীহ মুসলিম হাদীস : ২১১৪]

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,

যে ঘরে ঘণ্টি থাকে সেই ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না।
[সুনানে আবু দাউদ হাদীস : ৪২৩১; সুনানে নাসাঈ হাদীস : ৫২৩৭]

তথ্যসূত্রঃ
১. গান ও বাদ্যযন্ত্র : ইসলামী দৃষ্টিকোণ, মুহাম্মাদ দিলাওয়ার বিন গাজী
http://www.alkawsar.com/article/57


অভিযোগ

রাসূল কি হারাম হালালের বিধান দিতে পারেন? নাকি কেবল আল্লাহ হারাম হালাল করেনন?

তারা দলিল পেশ করেন সুরা আত তাহরিমের ১ম আয়াত থেকে জানতে পারি যে হারাম আর হালাল করার কোন এখতিয়ার রাসুল সা: কে আল্লাহ দেননি।

১.) হে নবী, আল্লাহ‌ যে জিনিস হালাল করেছেন তা তুমি হারাম করছো কেন? (তা কি এজন্য যে, ) তুমি তোমার স্ত্রীদের সন্তুষ্টি চাও? আল্লাহ ক্ষমাশীল এবং দয়ালু।
(৬৬নং সূরা তাহরিম, আয়াত ১)

জবাবঃ

এটা একটা মারাত্মক অভিযোগ। এর দ্বারা যদি কেউ এটা বোঝাতে চায়, আল্লাহর রাসূল খোদার উপর খোদগেরি করেছেন, আল্লাহ যা নিষেধ করেননি, তিনি তা নিষেধ করেছেন, তাহলে কতো মারাত্মক অভিযোগ হয়।

উক্ত আয়াতের প্রেক্ষাপট ছিল, রাসুল সা. মধু খাবেন না বলে কসম করছিল, তাই নাজিল হয়েছে। তাছাড়া, এই আয়াতটা দিয়েও বুঝা যাচ্ছে যে রাসুলের অধিকার আছে। কিভাবে?

এখানে আল্লাহ বলেছেনঃ আমি যা হালাল করেছি তা আপনি কেন হারাম করছেন?
এ থেকে বুঝা যাচ্ছে, রাসুলের অধিকার আছে হারাম করার! কিন্তু যেহেতু এই বস্তুটা আগেই আল্লাহ হালাল করেছেন (কোরআনে মধুর উপকারিতা বর্নিত আছে। দেখুনঃ ১৬নং সূরা নাহল: আয়াত ৬৯) তাই রাসুলের উচিত না সেটাকে হারাম করা। আর যে বিষয়ে তখনো বিধান নাযিল হয়নি সেটায় রাসুল নির্দেশ দিতে পারবেন।

আমাদের এটা বিশ্বাস করতে হবে “উনি মনগড়া কিছু বলেননি, সব ওহীর ওপর ভিত্তি করেই বলেছেন” (সুরা নাজমের শুরুর দিকে আয়াতটা আছে)।

৩.) সে নিজের খেয়ালখুশী মতো কথা বলে না।
৪.) যা তার কাছে নাযিল করা হয় তা অহী ছাড়া আর কিছুই নয়।
[ ৫৩নং সূরা আন-নাজম]

অথচ সূরা আহযাবে এমন আয়াত আছে, যার দ্বারা প্রমাণ হয় রাসূল হারাম হালালের বিধান দিতে পারেন।

‘আল্লাহ ও তাঁর রসূল কোন কাজের আদেশ করলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন ক্ষমতা নেই যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আদেশ অমান্য করে সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট তায় পতিত হয়।’
[৩৩নং সূরা আহযাব, আয়াত ৩৬]

‘It is not fitting for a Believer, man or woman, when a matter has been decided by Allah and His Messenger to have any option about their decision: if any one disobeys Allah and His Messenger, he is indeed on a clearly wrong Path.’
(৩৩:৩৬)

আল্লাহ ও তার রাসূল উভয়েই আদেশ করতে পারেন। নিষেধ করতে পারেন।

বুঝতে চেষ্টা করতে হবে, এখানে স্পষ্টভাবে “আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আদেশ” বাক্য এসেছে।।
আল্লাহ এককভাবে “আল্লাহর আদেশ” বলতে পারতেন! তাই না?
উক্ত আয়াতে যদি আল্লাহ তা’আলা কেবল “আল্লাহর ইচ্ছায় বিয়ে” হচ্ছে (যায়েদ রা. এর বিয়ে প্রসঙ্গে আয়াতটি নাযিল হয়েছিল) বলে বিধান দিতেন, তবে রাসূলের কথা দু’বার কেন ব্যবহার করলেন?